1. editor@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
  2. admin@madaripursomoy.com : মাদারীপুরসময় ডটকম : মাদারীপুরসময় ডটকম
  3. news@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
সংসার চালাতে চানাচুর বিক্রি করেন সেকেন্দার আলী - মাদারীপুরসময় ডটকম
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালকিনিতে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্বোধন কালকিনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে যুবক নিহত,আহত ৫ ডাসারে ব্রীজের সাথে সাঁকো দিয়ে ভোগান্তি লাঘবের চেষ্টা যোগ্যদের বাদ দিয়ে কালকিনি প্রেসক্লাবের ঘরোয়া কমিটি ঘোষণার অভিযোগ কালকিনিতে উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত কালকিনি পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন কালকিনিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাদক ব্যবসায়ীকে সাজা প্রদান মাদারীপুরের বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস খালে,নিহত ১০ মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিকেবিডিসি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত কালকিনিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা;পুলিশ সহ আহত ১০

সংসার চালাতে চানাচুর বিক্রি করেন সেকেন্দার আলী

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৪২ বার পঠিত
madaripursomoy241
print news

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি :

ভাঙাচোরা, লোহা লস্কর ও প্লাস্টিকের বোতলের বিনিময়ে দেন চানাচুর, আচার কিংবা শন পাপড়ি। আর সেগুলো বিক্রি করেই অতি কষ্টে জীবিকা নির্বাহ করেন ৭০ বছর বয়সী সেকেন্দার আলী। এই বৃদ্ধ বয়সেও বিশ্রামের সুযোগ নেই তার। এই পুরোনো ভাংরি বিক্রি করে যা হয় তা দিয়েই চলে স্ত্রী ও নিজের ওষুধ এবং সংসারের খরচ।

সেকেন্দার আলী সরদারের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনি পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাষ্টঘর এলাকায়। তিনি ঐ এলাকার মৃত দলিলউদ্দীন সরদারের ছেলে। সেকেন্দার আলীর তিন ছেলে ও তিন মেয়ে থাকলেও তারা ব্যস্ত নিজের সংসার নিয়ে। মাত্র ৪ শতক জমিতে জরাজীর্ণ একটি টিনশেড ঘরে স্ত্রীকে নিয়ে অতিকষ্টে বসবাস করছেন।

প্রতিদিন ঘুরে ঘুরে ঝাল চানাচুর ও আচার বিক্রি করে আয় করেন মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। চানাচুর বিক্রির সামান্য আয়ে স্বামী-স্ত্রীর কোনো রকমেই দু’বেলা দু-মুঠো খাবার। এদিকে তার শরীরের অবস্থা ভালো নেই। শরীর অসুস্থ থাকার পরেও তিনি জীবন-যুদ্ধে কখনো হার মানেননি। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই গ্রামে গ্রামে ঘুরে ভাঁড়ের এক ঢালায় ঝাল চানাচুর অন্য ঢালায় আচার ও শন পাপড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়েন।

সেকেন্দার আলী বলেন, আমার কষ্টের জীবন। চানাচুর, আচার ও শন পাপড়ি বিক্রি করেই তিন ছেলে ও তিন মেয়েকে মানুষ করেছি। তাদের বিয়ে দিয়েছে। এখন তারা তাদের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। ছেলে-মেয়ে কেউ আর খোঁজ খবর নেয় না। গ্রামে গ্রামে ফেরি করে সংসার ও ওষুধ কিনতে কিনতে অবস্থা খারাপ। অনেক সময় ধার-দেনা করে চলতে হয়। শেষ বয়সে এসেও দু-মুঠো খাবারের জন্য এসব করতে হচ্ছে। আমরা স্বামী-স্ত্রী বয়স্ক ভাতা পাই না। বয়স্ক ভাতা পেলে একটু কষ্ট কম হতো। এখন চানাচুর বিক্রি করে যে দুই টাকা আয় হয় তাই দিয়ে অতিকষ্টে বেঁচে আছি। একমাত্র থাকার ঘরটিও অবস্থা ভীষণ নাজুক। চাটাইয়ের বেড়া ও টিনের তৈরি ঘরটিও জরাজীর্ণ। চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর এবং কালকিনি মেয়রের কাছে আমার দাবি, তারা যেন বয়স্ক ভাতা করে দেন।

মাদ্রা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. ফিরোজ হাওলাদার বলেন, বৃদ্ধ লোকটিকে মাঝে মাঝে দেখি আমাদের এই এলাকা দিয়ে আচার চানাচুর বিক্রি করেন। যদিও এ বয়সে ফেরি করে এসব বিক্রি করা সত্যিই কষ্টের।

এ ব্যাপারে কালকিনি পৌরসভার মেয়র এস এম হানিফ বলেন, এই বৃদ্ধ ফেরিওয়ালার বয়স্ক ভাতা পান না তা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। তাকে আমাদের সঙ্গে একটু যোগাযোগ করতে বলেন অবশ্যই তাকে ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By Shakil IT Park

এই ওয়েবসাইটের সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত