1. editor@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
  2. admin@madaripursomoy.com : মাদারীপুরসময় ডটকম : মাদারীপুরসময় ডটকম
  3. news@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
বগুড়ায় বিচারকের সই জাল করে মামলা থেকে অব্যাহতি: সাবেক পেশকারসহ গ্রেপ্তার ৫ - মাদারীপুরসময় ডটকম
শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ১০:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
কালকিনিতে স্কুল ছাত্রীকে মারধরের ঘটনায় শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ; দোকানসহ বেশকয়টি বসতঘর ভাংচুর ১৮ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক,পুলিশের অভিযানে আটক ৩ কালকিনিতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত কালকিনিতে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্বোধন কালকিনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে যুবক নিহত,আহত ৫ ডাসারে ব্রীজের সাথে সাঁকো দিয়ে ভোগান্তি লাঘবের চেষ্টা যোগ্যদের বাদ দিয়ে কালকিনি প্রেসক্লাবের ঘরোয়া কমিটি ঘোষণার অভিযোগ কালকিনিতে উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত কালকিনি পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন কালকিনিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাদক ব্যবসায়ীকে সাজা প্রদান

বগুড়ায় বিচারকের সই জাল করে মামলা থেকে অব্যাহতি: সাবেক পেশকারসহ গ্রেপ্তার ৫

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৭৩ বার পঠিত
madaripursomoy120
print news

মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার :

বিচারকের স্বাক্ষর জাল করে মাদক মামলার আসামীদের অব্যাহতি দেয়ার চেষ্টার অভিযোগে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজিএম) আদালতের কর্মচারীসহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, সিজিএম আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুজ্জামান, জারীকারক এম এ মাসুদ, তার শ্যালক হারুন অর রশিদ (সাজন), সদ্য অবসরপ্রাপ্ত পেশকার আব্দুল মান্নান ও মোক্তার হোসেন।
জালিয়াতির এই ঘটনায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাকসুদুর রহমান বাদি হয়ে মামলা করেন। মামলার মোট আসামী ৯ জন। গ্রেপ্তার বাদে অন্য ৪ চার আসামী অবসরপ্রাপ্ত পেশকার আব্দুল মান্নানের ছেলে আবু সাহেদ, নিশিন্দারা এলাকার ওহেদুজ্জামান মাসুদ, নওগাঁর আয়েশা আক্তার শিমু ও মরিয়ম আক্তার নিপু।

মামলা সূত্রে জানা যায়, পেশকার আব্দুল মান্নানের ছেলে আবু সাহেদসহ পাঁচজন ২০২০ সালের একটি মাদক মামলার আসামি। চলতি বছরের ১৪ মে এই মামলার আসামিদের সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। মামলার আরেক আসামি আয়েশা আক্তার শিমু জামিন নিয়ে পলাতক ছিলেন। তবে সেদিন আবু সাহেদ, মোক্তার হোসেন, ওয়াহেদুজ্জামান হাজিরা দেন। আর মরিয়ম আক্তার নিপুর পক্ষে তাদের আইনজীবী আদালতে সময় প্রার্থনা করেন। সাক্ষী না থাকায় বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শায়লা আসামিদের সময় প্রার্থনা মঞ্জুর করে আরেকটি দিন ধার্য করেন।

কিন্তু এই দিন ধার্যের আদেশের নথি আদালত থেকে গায়েব হয়ে যায়। পরবর্তীতে পাঁচ মাস পর ১৪ অক্টোবর বিকেলে বেঞ্চ সহকারী আব্দুর রশিদ একটি নথি পান। এতে দেখা যায়, সাবেক পেশকার আব্দুল মান্নানের ছেলে আবু সাহেদের পক্ষে ফৌজদারি কার্যবিধি ২৪৯ ধারার বিধান মতে ওই মামলার কার্যক্রম স্থগিতের নথিতে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া আছে।

বিষয়টি খোঁজখবর করে আদালত কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে সিজিএম আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুজ্জামান, জারীকারক এম এ মাসুদ, তার শ্যালক হারুন অর রশিদের (সাজন) যোগসাজশে বিচারকের স্বাক্ষর জালিয়াতি করেছেন।

জালিয়াতি মামলার বাদি মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, আব্দুল মান্নান আদালতের পেশকার ছিলেন। তার ছেলে আবু সাহেদ ২৬০ পিস ইয়াবা নিয়ে গ্রেপ্তার হন। সেই মামলার শুনানি ছিল।। পেশকার হওয়ার সুবাদে তিনি আদালদের অন্য কর্মচারীদের হাত করে নথি জালিয়াতি করেন।

ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ বলেন, সিজিএম আদালত থেকে বিচারকের স্বাক্ষর ও নথি জালিয়াতির ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়। পরে সোমবার আদালত থেকে তিন কর্মচারীকের আটক করা হয়। আর শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল মান্নান ও মোক্তার হোসেনকে আটক করে। পরে মামলা হলে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By Shakil IT Park

এই ওয়েবসাইটের সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত