1. editor@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
  2. admin@madaripursomoy.com : মাদারীপুরসময় ডটকম : মাদারীপুরসময় ডটকম
  3. news@madaripursomoy.com : Madaripur Somoy : Madaripur Somoy
পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় না‌সির, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়, নিজের ও স্ত্রীর মোবাইলের ব্যাক কাভারও স্বর্নের - মাদারীপুরসময় ডটকম
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালকিনিতে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত কালকিনিতে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরীর উদ্বোধন কালকিনিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে যুবক নিহত,আহত ৫ ডাসারে ব্রীজের সাথে সাঁকো দিয়ে ভোগান্তি লাঘবের চেষ্টা যোগ্যদের বাদ দিয়ে কালকিনি প্রেসক্লাবের ঘরোয়া কমিটি ঘোষণার অভিযোগ কালকিনিতে উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিত কালকিনি পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন কালকিনিতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাদক ব্যবসায়ীকে সাজা প্রদান মাদারীপুরের বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাস খালে,নিহত ১০ মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিকেবিডিসি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত

পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় না‌সির, গড়েছেন সম্পদের পাহাড়, নিজের ও স্ত্রীর মোবাইলের ব্যাক কাভারও স্বর্নের

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৩৫ বার পঠিত
22 8 23.madaripur 3
print news

নিজস্ব প্রতিবেদক | মাদারীপুরসময় ডটকম

চার পাচ বছর আগে ছিলেন গ্রাম্য পশু চিকিৎসক। শশুর বাড়িও বেড়াতে যেত না ভাড়ার অভাবে। বর্তমানে অবৈধভাবে শত কোটি টাকার মালিক। এমনটা অভিযোগ মাদারীপুর জেলা প্রশাসন কত্তৃক তৈরিকৃত দালালদের শীর্ষ দালাল নাসির কাজীর সহযোগী, ডিভোর্সকৃত স্ত্রীর স্বজনদের। নাসির কাজীর ভয়াবহ দূর্নিতীর তথ্য ফাস করেন তার জেল খাটা সহযোগীরাও। পলাতক শীর্ষ এই দালালের রয়েছে ঢাকায় একাধিক ফ্লাটসহ বিভিন্ন স্থানে সম্পদের পাহাড়। তার ও স্ত্রীর মোবাইলের ব্যাক কাভারও স্বর্নেরসহ এলাহি কান্ড কারখানার গল্প এখন সহযোগীসহ মানুষের মুখে মুখে। নাসির কাজীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে মাদারীপুরে পদ্মা সেতুর রেল লাইনসহ বিভিন্ন প্রকল্পে অধিগ্রহন খাতে দূর্নিতীগ্রস্থ দালাল ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিচারের আওতায় এনে সরকারের শত শত কোটি টাকা উদ্ধার সম্ভব হবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের। দূর্নিতীর প্রমানিত হওয়ায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ২ কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসরসহ তহশিলদার ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চললেও নাসির কাজীসহ দালালরা রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাইরে।

সরেজমিন একাধিক সুত্রে জানা যায়, শিবচরের দত্তপাড়া ইউনিয়নের বাচামারা গ্রামের মোজাজ্জেল হকের ছেলে কেএম নাসির(নাসির কাজী) কয়েক বছর ধরেই নিজ বাড়ি থেকে পলাতক রয়েছে। পদ্মা সেতুর বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে নাসির কাজীর নাম শীর্ষে রেখে ২০ দালালের তালিকা করেছে জেলা প্রশাসন। যা দুদকে প্রেরনের পর তদন্তানাধীন রয়েছে। নাসির কাজীর নেতৃত্বে একটি চক্র শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ভিপি ও খাস সম্পত্তি থেকে দাবী এক সময়ের সহযোগীদের। ভূয়া নথি ও মালিক সাজিয়ে তিনি বিল উত্তোলনের ক্ষেত্রে সাজান ভূয়া নারী পুরুষদের। এরকমই লোভে পা দিয়ে ২ লাখ টাকা ভাগ পেয়ে জেল খাটেন দত্তপাড়ার ইউপি সদস্য শুধাংস মন্ডল। জেলে রয়েছেন সহযোগী শাহীন বেপারি। নাসির কাজীর টোপে পড়ে স্বাক্ষর দেয়া বাবদ ২ লাখ টাকা দেয়ার কথা থাকলেও ৪৫ হাজার টাকা ভাগ পেয়ে তদন্তের মুখে পড়েছেন আলো পত্তনদারসহ আরো অনেকে। মুকুলী রানী নামের এক নারীকে নাসির গ্রুপ দুই দফায় দুটি বিলে ৪ লাখ টাকা দিলেও বাড়িতে টাকা ফেরতের নোটিশ আসার পর থেকে এখন বাড়িই ছাড়া তিনি।

ভূয়া বিল ছাড়াও অন্যের বিলও তুলে নেন নাসির কাজীসহ দালাল চক্র ও কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ও শিবচরের মাদবরচরের ডাইয়ারয়ার চর মৌজায় পদ্মা সেতুর রেল লাইন প্রকল্পের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে হারুন বেপারি,তার স্ত্রী নুরুন্নাহার বেগম ও ছেলে মেহেরাব হোসেনসহ পাশ^বর্ত্তীরা দোকানঘর ও জমির জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ৪ ধারা,৭ ধারা ও ৮ ধারা নোটিশ পান। তবে নোটিশ পেয়ে ডিসি অফিসে বারবার ঘুরেও বিল পাচ্ছে না এরা। দীর্ঘ চেষ্টার পর ক্ষতিগ্রস্থরা জানতে পারেন ওই দাগগুলো থেকে ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে তুলে নিয়ে গেছে নাসির কাজীর নেতৃত্বে দালালরা ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তায় এই ভূয়া বিল উঠানোর অভিযোগে শাহীন বেপারি নামের এক দালালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি মামলায় আসামী হয় জেলা প্রশাসনের তালিকাভুক্ত শীর্ষ দালাল নাসির কাজী ,তার ২ মামা ও এক নিকটাত্মীয়। আসামীদের কেউ ওই এলাকার বাসিন্দা না হওয়া সত্ত্বেও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক শ্রেনীর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তায় এ দফায় প্রায় ২ কোটি টাকা লোপাট হয়। গ্রেফতারকৃত শাহীনের পরিবার (দালাল নাসিরের সহযোগী)আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য দেয়। শাহীনের নামে প্রায় ২ কোটি টাকার বিল ছাড় হলেও লোপাটকৃত টাকার মাত্র ২০ লাখ টাকা ভাগ পায় তারা। বাকি টাকা নেয় নাসিরসহ দালালরা ও অফিসের লোকজন।

নাাসিরের আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়া যেন আলাদিনের চেরাগঃ

নাসির কাজী ছিলেন এক সময়ের গ্রাম্য পশু চিকিৎসক। অভাব অনটন সংসারে লেগেই ছিল। পাশের উপজেলায় শশুর বাড়িতেও বেড়াতে যেত না টাকার অভাবে। বর্তমানে তার গ্রামের বাড়িতে আলিশান ভবন, ঢাকার গুলশানে ফ্লাট, উত্তরায় ফ্লাটসহ ঢাকায় অঢেল সম্পদ। এছাড়াও কক্সবাজারে নির্মান করছেন বহুতলবিশিষ্ট আবাসিক ভবন এমনটাই দাবী তার সহযোগী ও প্রাক্তন স্ত্রীর স্বজনদের। আরো অভিযোগ রয়েছে তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বিবাহ বার্ষিকীতে উপহার দেন একশ ভরি স্বর্নালংকার। তার বাসার দেয়াল ঘড়ির দাম দেড় লাখ টাকা। বাসার ফার্নিচার দুবাই থেকে আমদানি করা। রয়েছে একাধিক গাড়ি। নতুন সংসারে সন্তান হওয়ার পর দেন স্বর্নের বাটি ও স্বর্নের চামচ। তার ও স্ত্রীর মোবাইলের ব্যাক কাভারও স্বর্নের। সবমিলিয়ে এলাহী কান্ড কারখানা। বিলাসী জীবনযাপনে শত শত কোটি টাকার সা¤্রাজ্যে হতবাক সবাই।

ভুক্তভোগী ক্ষতিগ্রস্থ হারুন বেপারি বলেন, আমাদের সকল কাগজপত্র আছে। কিন্তু শাহিন বেপারী নাসির কাজীসহ চারজন কি কাগজপত্র অফিসে দাখিল করে আমাদের ক্ষতিপূরনের এক কোটি আটাশি লাখ ১৪ হাজার তিনশ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তা আমরা জানি না। পরে জানতে পেরেছি জাল কাগজপত্র তৈরি করে ওরা টাকা উত্তোলন করেছে। আর এর সাথে ডিসি অফিসের কর্মকর্তারা জড়িত ছিল। দালাল নাসির তার দুই মামাকে যদি ধরা যায় আর সার্ভেয়ার নাসিরকে যদি আইনের আওতায় আনা যায় তাহলে জালিয়াতি করে নেয়া শত শত বিলের শত শত কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।

গ্রেপ্তারকৃত দালাল শাহীন বেপারির ছেলে দাদন বেপারি বলেন, নাসির কাজী ও দুই মামা আলিউজ্জামান, আখতারুজ্জামানসহ অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা মিলে কয়েকজন মিলে আমার আব্বাকে জিম্মি করে ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে ক্ষতিপূরনের টাকা উত্তোলন করিয়েছে। উত্তোলনকৃত এক কোটি আটাশি লাখ টাকার মধ্যে ওরা আমার আব্বাকে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিল। বাকি টাকা ওরা নিয়ে গেছে। পরে এঘটনার তদন্ত আসলে পুলিশ আমার আব্বাকে ডিসি অফিসে যেতে বলে। আব্বা সেখানে গিয়ে সকল কথা স্বীকার করলে আমার আব্বাকে জেলে নিয়ে যায়। অথচ যারা টাকা নিয়ে গেল তাদের আজও ধরতে পারেনি। আমার আব্বা বলেছে নাসির কাজী তাদের সামনেই কয়েকদিনে প্রায় ৮৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।এছাড়াও আরো কত টাকা নিয়েছে তার কোন হিসাব নেই।

গ্রেপ্তারকৃত ইউপি সদস্য সুধাংশ মন্ডল বলেন, নাসির কাজী এক সময় পল্লী পশু চিকিৎসক ছিল। পশু চিকিৎসা করে দিয়ে দেড়শ-দুইশ টাকা কামিয়ে কোনমতে চলতো। রেল লাইনের ভূমি অধিগ্রহনের সময় ডিসি অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা গড়ে এখন ভূয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে এখন শতশত কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। নাসির ও তার স্ত্রীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের ব্যাক কভার স্বর্নের তৈরি। তার ঘরের ফার্নিচার দুবাই থেকে আনা। এলাকায় অনেক টাকার সম্পত্তি করেছে। কক্সবাজার আবাসিক হোটেল করছে। ঢাকা গুলশান, উত্তরা, বসুন্ধরায় বাড়ি করেছে। নাসিরকে ধরতে পারলেই এই দূর্নীতির সাথে কারা জড়িত তা বের হবে। এই দূর্নীতির সাথে ডিসি অফিসের কর্মকর্তারা জড়িত। তারাইতো ফাঁক ফোকর বুঝিয়ে দিয়েছে। আমার মত অনেকের সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে নাসির কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অথচ আমরা আজ ফেঁসে গেছি। নাসিরকে ধরতে পারলেই আমরাও রেহাই পাবো।

আরেক সহযোগী মুকুলী রানী বলেন, নাসির আমাকে বলে আপনাকে বাড়ি গাড়ি সব ব্যবস্থা করে দেব। প্রথমবার ও আমাকে দিয়ে ৬৩ লাখ টাকা ওঠায় আমাকে দেয় ৩ লাখ টাকা। পুনরায় আবার কয়েক লাখ টাকা উঠিয়ে দেয় এক লাখ টাকা। এভাবে ও অফিসের লোক মিলে শত শত মানুষের বিল উঠিয়ে আমাদের মতো গরীব মানুষগুলারে বিপদে ফেলেছে। ওকে ধরলে সব বের হয়ে যাবে ।

নাসির কাজীর প্রাক্তন স্ত্রীর বড় বোন বলেন, শুনছি ও জিরো থেকে হিরো হয়ে গেছে। যেমন ধরেন টোকাই থেকে রাজপ্রাসাদ । ওর বাড়ি থেকে আমার বাবার ১০ টাকা ভাড়া ছিল তা দিয়েও আসতে পারে নাই। এখন ও প্লেনে করে মানুষকে ঘুরতে পাঠায়। আর কয়েকদিন পরপর সে পরিবার নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্লেনে ঘুরতে যায়। বিবাহ বার্ষিকীই পালন করেছে ১৪-১৫ লাখ টাকা খরচ করে। বাচ্চা হওয়ার পর সোনার চামচ সোনার বাটি দেয়। এলাহি কান্ড আর কি ? বলে শেষ করা যাবে না। ঢাকা,চট্রগ্রামসহ অনেক জায়গায় বাড়িসহ অনেক সম্পদ করছে। ওর এই অপকর্মে অফিসের লোক ছাড়াও ওর মামারা ভাইয়েরাও জড়িত। ও আমাদের আইডি কার্ডও চেয়েছিল আমরা দেয়নি।

নাসির কাজীর বাড়িতে গিয়ে তার মোবাইল নাম্বার চাইলেও কেউ দিতে পারেনি। তার ভাই মতিউর কাজী মুঠোফোনে বলেন, তার সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ নাই। আমার জানামতে সে ঢাকা বা ভারত আছে।

নাসিরের মামা প্রতারনার এক মামলার আসামী মোঃ আলীউজ্জামান বলেন, মামলাটি আমাদের সাথে শত্রুতাবসত দেয়া হয়েছে। আপনার ভাগিনা(নাসির) এত সম্পদের মালিক কিভাবে হলো বা কি ব্যবসা করে ? এর কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

মাদারীপুর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ঝোটন চন্দ্র চন্দ বলেন, দূর্নিতীর প্রমান পাওয়ায় ২ জন স্টাফকে ইতোমধ্যেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। কয়েকজন কর্মকর্তা ও তহশিলদারের বিরুদ্ধেও তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আর দালালদের তালিকা দূদকে দেয়া হয়েছে।

মাদারীপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক বলেন, দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আমরা সব সময় সোচ্চার আছি। ইতোমধ্যে কিছু দালালের তালিকা করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর ভূমি অধিগ্রহনসহ বিভিন্ন দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, নাসির কাজীসহ যারা রাস্ট্রীয় সম্পদ হরন করে জনগনের অধিকারকেও হরন করেছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই মামলাটি তদন্ত করছি। যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত থাক বা তারা যত ক্ষমতাশীনই হোকনা কেন আমরা তাদেরকে কোন ছাড় দেবো না। আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থা ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের মূল উৎপাটন করা হবে। আইনের পাশাপাশি সামাজিকভাবেও তাদেরকে বয়কট করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত
Theme Customized By Shakil IT Park

এই ওয়েবসাইটের সকল স্বত্ব madaripursomoy.com কর্তৃক সংরক্ষিত